পূর্বধলায় ইউপি নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনের অভিযোগে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি: নেত্রকোণার পূর্বধলার উপজেলার তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনে ভোট গগনা করে ফলাফল ঘোষণা করে এক ঘণ্টা পরে ফলাফল পরিবর্তনের প্রতিবাদে ও জাতিয়াতির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবীতে বৃহষ্পতিবার দুপুরে ওয়ার্ডবাসীর ব্যানারে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।
এঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধনে বত্তব্য রাখেন, ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ জালাল উদ্দিন খান, কাজিম উদ্দিন, কামাল খাঁ, আতকাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোহন তালুকদার, আবুল কালাম কেন্দ্রের এজেন্ট ও বন্যাকান্দা গ্রামের বাসিন্দা শামছু উদ্দিন, মিরাজ আলী সহ এলাকার সহস্রাধিক স্থানীয় লোকজন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনে ভোট গগনা করে বাঘবেড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ জালাল উদ্দিন খানকে বিজয়ী ঘোষণা করে রহস্যজনক কারণে এক ঘণ্টা পরে ফলাফল সীটে জালিয়াতি করে তা পরিবর্তন করে অন্য প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগকারী ইউপি সদস্য প্রার্থী মোঃ জালাল উদ্দিন খান বলেন, ‘নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রায়হানুল হক ভোট কয়েকবার গননা করে প্রথমে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এসময় আমাকে ৪১৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী বলে ঘোষণা করে রেজাল্টসীট সরবরাহ করা হয়। এতে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীর ৪১৪ ভোট পেয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু এর ঘণ্টাখানেক পর ওইসীটে ঘষামাজা করে আমাকে দেখানো হয় ৪১০ ভোট আর প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীকে ৪১২ ভোট দেখিয়ে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এর প্রতিবাদ করলে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ দিয়ে আমাকে ও আমার সমর্থকদের ওপর হামলা করে মারধর করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়া হয়। এঘটনার প্রতিবাদে আমি নির্বাচন কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করেছি। আমি এর সুবিচার চাই।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পূর্বধলা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রায়হানুল হক বলেন, আমি ব্যস্ত এ আছি, এবিষয়ে এখন কথা বলতে পারবো না বলে তিনি মুঠোফোন রেখে দেন।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।