যুদ্ধাপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের সাবেক তদন্ত প্রধানের মরণোত্তর সম্মাননা

বিশেষ প্রতিনিধি: যুদ্ধাপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সাবেক প্রধান পুলিশের সাবেক ডিআইজি মরহুম আবদুল হান্নান খানের মরণোত্তর সম্মাননা ও গুণীজন সমবাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার খালিশাউড় ইউনিয়নবাসী মরহুমের গ্রামের বাড়িতে গতকাল শনিবার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
খলিশাউড় স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে পূর্বধলা সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ারুল হক রতনের সভাপতিত্বে ও পূর্বধলা সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. আলী জুয়েলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের যুগ্নসচিব মন্টু কুমার বিশ্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান শামীম, লেখক ও গবেষক আলী আহমেদ খান আইয়ুব,বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক স্কোয়াড্রন লিডার আরশাদ খান, সাবেক এমপি নাজমূল হুদার সহধর্মিণী রাবেয়া খাতুন, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মিয়া রুবেল, পুর্বধলা হুসেনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক কামরুজ্জামান নাঈম, যুবলীগ নেতা রাশেদ কুদ্দুস খান সুজন, আবদুল মোমেন প্রমুখ।
এছাড়াও কবি ও সাহিত্যিক হাজী আমির উদ্দিন মুন্সী ও মাওলানা মিরাশ উদ্দিন মওলানার জীবন ইতিহাস, ইউনিয়নের প্রয়াত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কবি- সাহিত্যিক, বাউল কবি ও পুঁথি রচয়িতাদের স্মরণ ও তাদের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়। দেওয়া হয় বাংলাদেশের গর্ব মরহুম আবদুল হান্নান খানকে মরণোত্তর সম্মাননা। হান্নান খানের পক্ষে এ সম্মাননা গ্রহন করেন তার ভাতিজা রাশেদ কুদ্দুস খান সুজন। পরে গুণীজনের সম্মানে মনোজ্ঞ সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।