নেত্রকোণায় ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থীর মৃত্যু

স্টাফ রির্পোটার: নেত্রকোণা সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা ই কাদের (৮৪) মারা গেছেন। আজ রোববার দুপুর দুইটার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মোস্তফা ই কাদের মদনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও নন্দীপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মদনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। কর্মজীবনে তিনি কেন্দুয়া উপজেলার বৈখরহাটি নরেন্দ্র কান্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের বিএসসি শিক্ষক ছিলেন। এর আগে তিনি সাত বার ইউপি নির্বাচানের চেয়ারম্যান পদে অংশ নিয়ে ২০১১ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম বলেন, মোস্তফা ই কাদের আজ রোববার সকালে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় পরিবারের লোকজন তাকে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয় যান। পরে সেখান থেকে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। দুপুর দুইটার দিকে ওই হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং মদনপুর এলাকার বাসিন্দা মুজিবুল আলম হিরা বলেন, আজ বাদ মাগরিব মদনপুরে হযরত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমির (রঃ) মাজার প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাযালয় সূত্র জানায়, আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে নেত্রকোনা সদর, আটপাড়া ও বারাহট্টা উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া কথা রয়েছে। সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে মদনপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন মোস্তাফা ই কাদের। গত ১৭ অক্টোবর ওই ইউনিয়নে তিনি ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. মহসিন ও বর্তমান চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ফকির মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন।
নেত্রকোনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল লতিফ শেখ বলেন, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, যেহেতু মদনপুর ইউনিয়নে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী মারা গেছেন ওই ইউনিয়নে আগামী ১১ নভেম্বর শুধু চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন স্থগিত রাখা হবে। বাকি পদে নির্বাচন যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।’

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।