আশ্রয়ণ প্রকল্পে খোঁজ নিলেন তারা : খাবার সামগ্রি বিতরণ

বিশেষ প্রতিনিধি : নেত্রকোণার আটপাড়া ও কেন্দুয়া উপজেলার চারটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে চাল, ডাল, আলু, তেল, চিনি, শিশু খাদ্যসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা পযন্ত আটপাড়ার চামারগাতিয়া ও সোনাজুর এবং কেন্দুয়ার ভরাপাড়া ও কুণ্ডুলী আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারী শতাধিক পরিবারের মাঝে এসব খাবার বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোণা-৩ কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সাংসদ অসীম কুমার উকিল।
পরে প্রধান অতিথিসহ জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান সুবিধাভোগী প্রতিটি ঘর ঘুরে দেন। একই সঙ্গে সুবিধাভোগীদের খোঁজ খবরসহ সমস্যার কথা জানতে চান। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মনির হোসেন, আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজা সুলতানা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খায়রুল ইসলাম, সহকারী কমিশিনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া, কেন্দুয়ার ইউএনও মো. মঈন উদ্দিন খন্দকার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আটপাড়ায় দ্বিতীয় পযায়ে ১০টি ঘর পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ঘরগুলোর জানালা নিম্নমানের হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি জানালাগুলো পরিবর্তনসহ এ কাজে দায়িত্বে থাকা স্থানীয় ইউএনও, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানোর জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকে (রাজস্ব) তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘ জেলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘরের কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আটপাড়ায় দ্বিতীয় পযায়ের এই কয়েকটি ঘরের জানালার কাজের গুণগতমান ঠিক রাখা হয়নি। বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এসব নিম্নমানের সবগুলো জানালা পাল্টাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে এ কাজের দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা কমিটির সদস্যদের আলাদা আলাদা করে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘরে কোন রকম অনিয়ম হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
সাংসদ অসীম কুমার উকিল আটপাড়ায় সুবিধাভোগীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনাদের জমি বাড়ি লেখে দিয়েছেন। আপনারা এই ঘর জমির মালিক। এগুলো দেখে রাখবেন। প্রধানমন্ত্রী আপনাকে খুব ভালোবাসেন। উনার দেওয়া ঘরে আপনারা কেমন আছেন তা দেখতে আমরা আসছি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। সে লক্ষেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। ঘরগুলোতে কোন অনিয়ম হলে দায়িত্বে থাকা কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। এটি আপনাদের যেমন স্বপ্রে ঘর, আমাদের সরকারের স্বপ্নের ঘর। পৃথিবীর আর কোন দেশে এমনভাবে এতগুলো ঘর দেওয়ার ইতিহাস নেই।’

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।