নেত্রকোণায় সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত

স্টাফ রির্পোটার: নেত্রকোণায় ট্রাক চাপায় সোনালী ব্যাংকের এক সিনিয়র কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অপর এক ব্যাংক কর্মকর্তা আহত হন। গুরুতর আহত কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে নেত্রকোণা-ময়মনসিংহ সড়কের পারলা বৃহৎ মা মাজারসংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই কর্মকর্তা হলেন, আবু বক্কর সিদ্দিক (৩৫)। তিনি সোনালী ব্যাংক লিমিটেড নেত্রকোণার মদনপুর শাখায় ক্যাশ ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার বাসা শহরের নাগড়া মীরবাড়ি এলাকায় এবং গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার ঝাউসী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মো. রহুল আমিনের ছেলে।
আর আহত ওই কর্মকর্তা হলেন, সুমন সরকার (২৬)। তিনি সোনালী ব্যাংক নেত্রকোণা কার্যালয়ে কর্মকর্তা ক্যাশ হিসেবে কর্মরত। তার বাসা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায়।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও সোনালী ব্যাংক নেত্রকোণা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক ও সুমন সরকার রোববার সন্ধ্যার দিকে একটি মোটর সাইকেল করে ঝাউসী এলাকা থেকে শহরে ফরিছিলেন। মোটর সাইকেলটি চালাচ্ছিলেন সহকর্মী সুমন সরকার। নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ সড়কের পরলা মাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে আবু বক্কর সিদ্দিক ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় ট্রাকের চাকার নিচে তিনি পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর সঙ্গে থাকা সুমন সরকারকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নিরাময় সরকার জানান, আবু বক্কর সিদ্দিক ২০১১ সালে কর্মকর্তা ক্যাশ হিসেবে জেলা শাখায় যোগদান করেন। তিনি খুবই বিনয়ী, সজ্জন ও একজন দক্ষ কর্মকর্তা ছিলেন। পারিবারিক জীবনে তিনি এক সন্তানের জনক। তার স্ত্রী বর্তমানে অন্তঃসত্ত্বা। তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।
নেত্রকোনা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল জলিল জানান, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। তাদের আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।