মোহনগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন: প্রচারে বাধা দেয়ার অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

বিশেষ প্রতিনিধি: নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী তাহমিনা পারভীন বীথি আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট লতিফুর রহমান রতনের সমর্থকদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারে বাধা, মোটরসাইকেল ও মাইক ভাংচুর এবং ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন।  শনিবার বিকেলে জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তাহমিনা এসব অভিযোগ এবং দাবি তুলে ধরেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তাহমিনার নির্বাচন পরিচালনা টিমের সদস্য আনোয়ার হোসেন এবং নিয়াজ মোর্শেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন, তাহমিনা পারভিন। তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক। তার বাবা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুল কুদ্দুছ আজাদ। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৭৯ সাল থেকে ২০০৯ সালে মৃত্যুর পূর্ব পযন্ত সভাপতি ছিলেন। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলেন, লতিফুর রহমান ওরফে রতন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান মেয়র।
সংবাদ সম্মেলনে তাহমিনা পারভিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, তিনি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুছ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ছিলেন। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তিনি মহিষখলা ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ ছিলেন। আব্দুল কুদ্দুছ ১৯৭৫ সালে মোহনগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠাকালী প্রথম ও পরপর দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া ১৯৯০ সালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার মা জোৎসনা আজাদ উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি।
লিখিত অভিযোগে নারিকেল গাছ মার্কার প্রার্থী তাহমিনা পারভীন বীথি অভিযোগ করেন, ‘নৌকার প্রার্থীর লোকজন তার সমর্থকদের দু’টি মোটরসাইকেল এবং একটি প্রচারের মাইক ভেঙ্গে দিয়েছে। কয়েকজন কর্মীর ওপর হামলা করেছে। এছাড়া কর্মী ও ভোটারদের নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করে প্রতিদিনই দিচ্ছে সন্ত্রাসী মহড়া। এতে মোহনগঞ্জ শহর এখন আতঙ্কের শহরে পরিণত হয়েছে।’
জানা গেছে, তাহমিনা পারভীন বীথি মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল কদ্দুছ আজাদের মেয়ে। তার মা জ্যোৎস্না আজাদ উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক। তাছাড়া তিনি নিজেও উপজেলা ছাত্রলীগের ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অপর দুই প্রার্থী হলেন আওয়ামী লীগের এ্যাডভোকেট লতিফুর রহমান রতন (নৌকা) ও আবু হেনা মোস্তফা (মোবাইল)। বিএনপি থেকে মাহবুবুন্নবী শেখকে মনোনয়ন দেয়া হলেও ঋণ খেলাপ জটিলতায় তার প্রার্থীতা স্থগিত রয়েছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।