বারহাট্টায় আসমা ইউনিয়নে শফিকুল এবারও নৌকা প্রতীক চান

বিশেষ প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে নেত্রকোণা জেলার বারহাট্রা উপজেলার আসমা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চা স্টল থেকে শুরু করে গ্রামের বিভিন্ন মোড়ের দোকানে সেই সঙ্গে হাট-বাজারে, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াঙ্গনের সুপরিচিত মুখ, পরোপকারী, সমাজ সেবক, বিনয়ী নম্রের অধিকারী শফিকুল ইসলাম খান চন্দু জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন বলে জানা যায়। তিনি এবারও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক চান।

শফিকুল ইসলাম খান চন্দু বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বারহাট্রা সি.কে.পি. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি, বারহাট্রা ডিগ্রি কলেজ শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বারহাট্রা উপজেলা শাখার সাবেক দপ্তর সম্পাদক, বারহাট্রা উপজেলা শাখার সদ্য বিদায়ী সভাপতি ও শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পারষদ বারহাট্রা উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি বর্তমান আওয়ামীলীগের প্রাথমিক সদস্য। এছাড়াও শফিকুল ইসলাম খান চন্দু স্থানীয় অগ্নিবীণা ক্লাব ও বারহাট্রা মোহনা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আসমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি, আসমা ঈদ গাঁহ মাঠের সভাপতি, আসমা জামে মসজিদ-এর পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি এবং গুমুরিয়া রহমতুল্লাহ্ মাদ্রাসা’র ম্যানেজিং কমিটির সদস্য।

শফিকুল ইসলাম খান চন্দু বলেন, বারহাট্রা উপজেলায় প্রতিষ্ঠাতা আওয়ামীলীগ এমনকি প্রজন্ম হতে প্রজন্ম তথা আত্নীয়-স্বজন সহ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত আমার পরিবার এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হিসেবে ও আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে মানবতার জননী, বিশ্বনেত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, জুলিও কোরির শান্তির দূত, বাঙালির জাতির মুক্তি ও স্বাধীন-সার্বভৌম ভূখন্ড বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর সুযোগ্য তনয়া সফল রাষ্টনায়ক-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা ডাকে রাজপথ ছাড়ি নাই বিভিন্ন হামলা-মামলার শিকার হয়েছি বিধায় আওয়ামীলীগের পরিক্ষীত কর্মী বিবেচনায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আসমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে মনোনীত হয়েছিলাম, ওই নির্বাচনে অসংখ্য আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, তারা মনোনয়ন না পেয়ে গোপনে বিরোধীতা করেন এমনকি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মহান মুক্তিযোদ্ধের চেতনার বিপক্ষের শক্তির অধিকাংশ নব্য আওয়ামীলীগ সেই সঙ্গে আমার ওয়ার্ডের ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থীসহ বিভিন্ন প্রতীকে অনেকেই বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন,এ কারণে বিগত নির্বাচনে জনগণের এবং বাঙালির জাতির মুক্তির ও স্বাধীনতার প্রতীক নৌকার ফলাফল বিপর্যয় হয়। আশাবাদী শ্রদ্ধাভাজন ও মমতাময়ী নেত্রী আসন্ন নির্বাচনে বিগত সময়ের অন্যান্য প্রার্থীদের বিভিন্ন দিক বিবেচনা করবেন এবং এবারও আমাকে নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন দিবেন। তিনি আরো বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছি, ২০০১ সালে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-বিএনপি জোট সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার পর ২০০৩ সালে ১৭ ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মদিন পালণ করতে গিয়ে উগ্রমৌলবাদ-জঙ্গিবাদ জামায়াতের ছাত্রশিবির ও বিএনপি’র সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্রদলের হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন ছিলাম।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।