নেত্রকোণার সিংহের বাংলা ইউ.পি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক চাচ্ছেন খায়রুল

সালাহ উদ্দিন খান রুবেল: তফসিল ঘোষণা না হলেও বসে নেই ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। প্রতিদিনই চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী এলাকা। সামাজিক কর্মকান্ডে সেতু বন্ধন করে চলছেন তারা। দিন যতই গড়াচ্ছে প্রার্থীদের ব্যস্ততা ততই বাড়ছে। প্রতিদিনই উঠান বৈঠক, গণসংযোগ ও পথসভা করে সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থীরা। তেমনই একজন হলেন নেত্রকোণা সদর উপজেলার সিংহের বাংলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক ছাত্রলীগ ও তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা,সমাজ সেবক খায়রুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাসহ গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, সামাজিক কর্মকান্ডে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে চলছেন এসব কর্মান্ডের মাধ্যমে তিনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।
খায়রুল ইসলাম জানান- বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে ১৯৯৬ সালে ১৫ ই ফেব্রুয়ারী বিএনপি’র হ্যা/না ভোটকে প্রতিহত করতে সকল আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করি। ১লা অক্টোবর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামাত-বিএনপি জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন অসংখ্যবার বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের কর্তৃক হামলা ও নির্যাতনের শিকার হই। ২০০৬ সালে ২৮ শে অক্টোবর কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের কর্মসূচীর অংশ হিসেবে লগি-বৈঠার মিছিলে পুলিশের হামলায় আহত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুস্থ্য হই। ২০০৭ সালে তথাকথিত ১/১১ সরকারের আমলে রাজনৈতিক কর্মসূচী পালণ করতে গিয়ে পুলিশের হয়রানীর শিকার হই। স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য ২০১০ খ্রিঃ হতে অধ্যাবদি সিংহের বাংলা ইউনিয়নের প্রতিটি ঘরে ঘরে গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সফল রাষ্ট্রনায়ক ও উন্নয়নের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এমপি’র বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরেছি। সেই সঙ্গে মহান মুক্তিযোদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে ও বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে এবং ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর সুযোগ্য কন্যা, গণতন্ত্রের মানস কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা’র রাজনীতি শক্তিশালী করতে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করে সরকারে প্রতিটি অর্জনকে আওয়ামীলীগের ফেরিওয়ালা হিসেবে তৃণমূলে পৌঁেছ দিয়েছি। তিনি অরো বলেন- ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি, ইতিহাসের রাখাল রাজা, মুক্তিকামী বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ডাকে এবং নির্দেশক্রমে আমার বাবা মোঃ সিদ্দিক মিয়া মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে উনার ছোট ভাই বীরমুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম, ছোট বোন জামাই বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম ও ভাগিনা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ মিয়াকে মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণ করেন এমনকি এলাকার অসংখ্য লোকজনকে বাঙালির জাতির মুক্তি ও মহান স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশ গ্রহণের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। আমার চাচা, ফুফা ও ফুফাত ভাই তাঁরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সম্মুখ সমরে যুদ্ধ করে দেশকে শত্রুমুক্ত করে দেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনেন। খায়রুল ইসলাম জানান- আমার বাবা ১৯৬৫ হতে অধ্যাবদি ইউনিয়ন এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন সময় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালণ করে আসছেন। তিনি ১৯৭৫-এ ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সহপরিবারে শহীদ হওয়ার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী ও নির্যাতনের শিকার হোন। আমার ছয় চাচা আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। মহান মুক্তিযুদ্ধের ও আওয়ামীলীগের পরিবারের সন্তান হিসেবে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক সেই সঙ্গে শ্রদ্ধাভাজন- মমতাময়ী নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র একজন পরিক্ষীত কর্মী বিবেচনায় আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী, আমি শতভাগ আশাবাদী নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পাবো।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।