নেত্রকোণায় নকল প্রসাধনী কারখানায় অভিযান : নকল প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ

বিশেষ প্রতিনিধি: জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এন এস আই) নেত্রকোণা ও র‌্যাব-১৪ বুধবার রাতে সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর বিসিক শিল্প এলাকায় সুয়েটার ফ্যাক্টরীর আড়ালে নকল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরির কারখানায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিশ্বের নামী দামী ব্র্যান্ডের বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করেছে।
এন এস আই-এর উপ-পরিচালক মোঃ তৌফিকুর রহমান ও র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়ক এম শোভন খান এই অভিযানের নেতৃত্ব দেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এন এস আই ও র‌্যাব-১৪ বুধবার রাতে নেত্রকোণা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর বিসিক শিল্প এলাকায় রহিমা সুয়েটার ফ্যাক্টরীতে অভিযান চালান। সেখানে সুয়েটার ফ্যাক্টরীর আড়ালে বিশ্বের নামী দামী ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনী সামগ্রী তৈরী করার যন্ত্রপাতিসহ বিপুল পরিমান মোড়ক ও প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করেন।
নেত্রকোণা এন এস আই-এর উপ-পরিচালক মোঃ তৌফিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নেত্রকোণা দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ধর্মীয় শিক্ষক হামিদুর রহমান খানের ছেলে জেলা শহরের নাগড়া এলাকার বাসিন্দা নুরুর রহমান খান জাহিদ (৪২) সুয়েটার ফ্যাক্টরীর আড়ালে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ সেখানে জেড অ্যান্ড এম কোম্পানী নামে নকল কারখানা পরিচালনা করে আসছেন। এই নকল কারখানায় ওয়াইল্ড স্টোন, ফগসহ বিশ্বের নামী দামী ব্র্যান্ডের ৪৫টি পণ্যের নকল প্রসাধনী গ্রামগ্রী তৈরী করে তা দেশের বিভিন্ন জেলায় ডিলারের মাধ্যমে সু-কৌশলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের হাট-বাজার গুলোতে বাজারজাত করে আসছিল। এ সময় কারখানার মালিক এন এস আই ও র‌্যাবকে বৈধ কাগজপত্র ও কোন লাইসেন্স দেখাতে না পারায় তাকে আটক করে। পরে এন এস আই ও র‌্যাব বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট প্রেরণ করা হয়। পরে ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে জব্দকৃত নকল মোড়ক ও প্রসাধনীগুলো ধ্বংস করে দেয়।
র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়ক এম শোভন খান জানান, পরে আটক কারখানার মালিক নুরুর রহমান খান জাহিদকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নেত্রকোণা মডেল থানায় জাহিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।