খালিয়াজুরীতে একশো টাকা ত্রাণের জন্য দুইশো নারীর সমাগম 

স্টাফ রিপোর্টার: নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলায় জাতীয় মহিলা সংস্থার অধীনে ” তথ্য আপা” প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলা সদরে পোস্ট অফিসের সামনে মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ২ শত ৫ জন গরীব মহিলাকে একশো টাকা করে ত্রাণ সহায়তার কার্যক্রমে মানা হয়নি সামাজিক দূরত্বের নিয়ম।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাওরাঞ্চলের কয়েকশো গরীব অসহায় মানুষকে একশো টাকা করে ত্রাণ সহয়তা দিতে জড়ো হয়।  ত্রাণ বিতরণকারী তথ্য আপা পোস্ট অফিসে ঢুকে মহামারি করোনা ভাইরাসের উদ্ভব পরিস্থিতিতে নিয়মনীতি না মেনে এভাবে শত শত লোক জমায়েত করে একশো টাকা করে ত্রাণ বিতরণ করেছেন।
এ ব্যপারে খালিয়াজুরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ মিলি দে বলেন, যেভাবে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে গাদাগাদি করে ত্রাণ বিতরণ হয়েছে তাতে এলাকায় করোনা আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বয়েছে।
নেত্রকোণা জেলার হাওর উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি স্বাগত সরকার শুভ বলেন, এই তথ্য আপারা একশো টাকা সহয়তা করে শত শত মানুষকে জমায়েত করে তারা কি ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছেন, হয়তো নিজেরাও তা বুঝতে পারছেন না। তিনি এই মহামারিতে এসব বন্ধের দাবি জানিয়ে বলেন, সরকারি ভাবে ত্রাণ বিতরণের শৃঙ্খলা আনা প্রয়োজন। সবচেয়ে ভালো হতো স্বাস্থ্য বিধি মেনে গ্রামে গ্রামে গিয়ে তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে নিরাপদ কোন জায়গায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিতরণ করা।
জাতীয় মহিলা সংস্থার অধীনে খালিয়াজুরী উপজেলার তথ্য আপা প্রকল্পের সমন্বয়কারী কাপিয়া সুলতানা জানান, আমরা প্রতি মাসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে একশো করে টাকা দুই শত দরিদ্র মহিলাদের মাঝে দুই কিস্তিতে বিতরণ করে থাকি। এবার এক সাথে বিতরণের কারণেই এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএইচএম আরিফুল ইসলাম বলেন, এই পরিস্থিতিতে এত লোক একসাথে জমায়েতের বিষয়টি আমি অবগত না।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।