মদন পল্লী বিদ্যুৎ এর ভুতুড়ে বিলে দিশেহারা গ্রাহক

স্টাফ রির্পোটার: চলতি করোনার মহামারিতে এপ্রিল মাসের তৈরি ভুতুড়ে বিদ্যুত বিল নিয়ে হয়রানির শিকার হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নেত্রকোণার মদন উপজেলার সহস্রাধিক গ্রাহক। বিদ্যুৎ বিল অসঙ্গিতপূর্ণ, এ বিষয়ে অভিযোগ করে কোনো সুরাহা না পেয়ে উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা। রোববার নেত্রকোণা পল্লী বিদুৎ সমিতির মদন জোনাল অফিসে গেলে শতাধিক গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, মিটার রিডার বাড়ি বাড়ি না গিয়েই ঘরে বসে ইচ্ছে মতো রিডিং বসানোর কারণেই এমন ঘটনা ঘটেছে। এতে করে গ্রাহকদের অতিরিক্ত চার্জ গুণতে হচ্ছে। উপজেলার মাখনা গ্রামের গ্রাহক শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার (১৯৯৭৯২২৬) নং মিটারে দেখাচ্ছে ৩০১ ইউনিট কিন্তু বিল পেপারে দেখানো হয়েছে ৩৮৫ ইউনিট। এ নিয়ে অফিসে বার বার বললেও টাকা দিয়ে চলে যেতে বলছে। শুনেছিলাম করোনার জন্য বিদুৎ বিল পরে দিলেই চলবে এখন দেখছি আগের তুলনায় বেশী দিতে হচ্ছে। মদন গ্রামের গ্রাহক মাহমুদুল হাসান, পৌর সদরের জহিরুল ইসলাম, মাখনা গ্রামের রাসেল বলেন, করোনার প্রাদূর্ভাবে জনগণ অর্থনৈতিক সংকটে আছেন। এর মধ্যে সঠিক বিদুৎ বিল দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাও আবার অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে। পল্লী বিদুৎ অফিসের এমন কর্মকান্ডে আমরা হয়রানির স্বীকার হচ্ছি। আগের তুলনায় চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিলে অতিরিক্ত টাকা লিখা হয়েছে বলে রোববার বিল দিতে আসা শতাধিক গ্রাহরা জানান। মদন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের আওতায় ৪৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে। এ ব্যাপারে নেত্রকোণা পল্লী বিদুৎ সমিতির মদন জোনাল অফিসের এজিএম হাফিজুর রহমান বলেন, করোনার কারণে বিদ্যুত বিল তৈরীতে কিছু অসংগতিক সমস্যা হয়েছে। এর প্রতিকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে যান।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।