মদনে প্রতিপক্ষের হামলা বসত ঘর ভাংচুর,অগ্নি সংযোগ

মদন প্রতিনিধি: পূর্বশত্রুতার জের ধরে নেত্রকোণার মদনে দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি হামলায় উভয়ে পক্ষের ১১টি বসত ঘর ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর পশ্চিম পাড়ায়। হামলায় আহত ৮ম শ্রেণির জেসমিন, ৬ষ্ট শ্রেনির ছাত্রী তাসমিনা ও বেগম আক্তারকে মদন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে শনিবার সকালে জালু গ্রুপের আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে ২০/২২ জনের নাম উল্লেখ করে ১০/১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা দুলুর গ্রুপের সাথে একই পাড়ার বিএনপির নেতা জালু গ্রুপের বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের চারটি মামলা রয়েছে। কিছু দিন ধরে দু’পক্ষের মধ্যে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার সকালে সরজমিনে গেলে দুলুর গ্রুপের সবুজ,সাদ্দাম, জাকির, জাহিম, শাহ আলম,লিলা মিয়া ও জালু গ্রুপের ছয়দুন, আয়নুল, আল্লাদ, সফু, নুরুর বসত ঘর ভাংচুর এবং দুলু গ্রুপের বিধবা সুলতানার ঘরে অগ্নি সংযোগের দৃশ্য চোখে পড়ে। এ সময় এক পক্ষ অন্য পক্ষকে দূষারোপ করে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা চলছে।
বিধবা সুলতানা জানান, গভীর রাতে কে বা কাহারা আমারঘরে আগুন লাগায় আমি দেখিনি। লোকজনের চিৎকারে ঘুম থেকে উঠে সকলের সহযোগীতায় আগুন নেভাই। ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী বিএনপির দলীয় লোক হওয়ায় আমি ঘটনাটি আওয়মীলীগ নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছি।
সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী জানান, প্রতিপক্ষের লোকজন জালু গ্রুপের লোকজনের বসত ঘর ভাংচুর, লুটপাট করেছে বলে আমাকে জানায়। অন্য পক্ষ আমাকে জানায়নি। দুইটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছে। অনেক চেষ্টা করেও এর সুরাহা করা যাচ্ছে না। মামলার তদন্তকারী এস আই মমতাজ উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে ২০/২২ জনের নাম উল্লেখ করে ১০/১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে শনিবার মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।