ঢাবির ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে নেত্রকোণায় মানববন্ধন

স্টাফ রির্পোটার: ‘চিৎকার কানে পৌঁছাবে কবে, বিচার না পেলে ফিরবো না ঘরে’ শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের বিরুদ্ধে নেত্রকোণায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় মহিলা পরিষদ, নারী প্রগতি সংঘ, জেলা নারী নিযাতন প্রতিরোধ কমিটি, জনউদ্যোগ, নেত্রকোনা সাহিত্য সমাজ, শিশুছায়া, ও স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির নির্বাহী পরিচালক বেগম রোকেয়ার সভাপতিত্বে ও মানবাধিকার কর্মী তাপস সরকারের সঞ্চালনায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন, সুজন জেলা কমিটির সভাপতি শ্যামলেন্দু পাল, মহিলা পরিষদ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তাহেজা বেগম, নেত্রকোনা সাহিত্য সমাজের সভাপতি অধ্যাপক কামরুজ্জামান চৌধুরী, কবি স্বপন কুমার পাল, জেলা উদীচীর সাধারণ সম্পাদক অসিত ঘোষ, নারী নেত্রী কোহিনুর বেগম, জেলা নারী নিযাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আইনজীবী দিলোয়ারা বেগম, নারী প্রগতি সংঘের কেন্দ্র ব্যবস্থাপক মৃণাল চক্রবর্তী, প্রাবন্ধিক সঞ্জয় সরকার প্রমুখ।
নারী নেত্রী বেগম রোকেয়া বলেন, ‘দেশে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, রাস্তাঘাট ধরে নারী-শিশুরা কোথাও নিরাপদ নয়। পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার কারণে নারী নির্যাতন ব্যাপকভাবে বেড়েছে। আমরা এই ধর্ষণের ঘটনার এমন বিচার চাই, যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।’
সুজনের সভাপতি শ্যামলেন্দু পাল বলেন, ‘এ ঘটনায় এক যুবকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। যদি ওই যুবক ঘটনার দায়ী হয় তবে ওর এমন শাস্তি হওয়া প্রয়োজন যা দেখে অন্যরা এ কাজ করা থেকে বিরত থাকে। যতো দ্রুত সম্ভব বিচারের আওতায় আনা, প্রয়োজনে নতুন আইন প্রনয়ন করে হলেও ওদের মতো নরপিশাচদের দণ্ড কার্যকর করা।’
গত রোববার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ক্যাম্পাস থেকে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার পথে কুর্মিটোলা এলাকায় ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে র‌্যাব।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।