কেন্দুয়ায় ক্রেতা সেজে দোকানীকে দণ্ড

কেন্দুয়া প্রতিনিধি: নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারের দায়ে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় একটি ফলের দোকানিকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত শনিবার রাত নয়টার দিকে পৌরশহরের মডেল স্কুলসংলগ্ন এলাকায় আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী হাকিম আল-ইমরান রুহুল ইসলাম। দণ্ডিত ব্যবসায়ীর নাম আব্দুল কাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খোকার মোস্তাফিজুর রহমান এই বিভাগকে পলিথিনমুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে সহমত পোষণ করে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে পলিথিনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় নেত্রকোনা জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। প্রথমে জেলা শহরসহ সব কটি উপজেলার হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পলিথিন শপিং ব্যাগ ও পলিথিনসামগ্রী ব্যবহার বন্ধ করার উদ্দেশ্যে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা, প্রচারপত্র বিলি, মাইকিং ও আলোচনা সভা হয়। এরপর পলিথিন বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে পলিথিনের ব্যবহার নেই বললেই চলে। কিন্তু কেন্দুয়া পৌর শহরের মডেল স্কুলসংলগ্ন এলাকার ফল ব্যবসায়ী আব্দুল কাদের গোপনে পলিথিন ব্যবহার করে আসছিলেন। এই তথ্য পেয়ে গত শনিবার রাত নয়টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলাম ক্রেতা সেজে ফল কিনতে যান। পরে ওই দোকানি ফল পরিমাপ করে একটি পলিথিন ব্যাগে ভরে দেন। এ সময় ইউএনও পলিথিনের নেতিবাচক দিক ও পলিথিন নিষিদ্ধ বলে জানালে দোকানি তা মানতে চাননি। পরে দেখা যায় ওই দোকানটিতে কয়েক কেজি পলিথিন রয়েছে। এ সময় ইউএনও তাঁর সঙ্গে থাকা পুলিশসহ লোকজনের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসান। পরে দোকানি তাঁর দোষ স্বীকার করে নিলে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
ইউএনও আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেন, ‘বার বার সর্তক করার পরও ওই ফলের দোকানি পলিথিন ব্যবহার করছিলেন। পরে ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫’ এর ৬ক ধারার বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে ১৫(১) ধারার তাকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।’

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।