নেত্রকোণায় শীর্তাতদের ঘরে কম্বল নিয়ে গেলেন জেলা প্রশাসক

বিশেষ প্রতিনিধি: মৃদু শৈত্য প্রবাহ, ঘন কুয়াশা আর হাঁড় কাপানো কনকনে শীতে নেত্রকোনার জনজীবন বিপর্যন্ত হয়ে পড়ায় সরকারের পক্ষ থেকে নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অসহায় হত-দরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলামের নেতৃতে জেলা প্রশাসনের একটি টিম জেলা শহরের বড় রেল স্টেশন, পূর্ব চক পাড়া, ঠাকুরাকোনা রেল কলোনী ও ঠাকুরাকোনা রেল বস্তি ও ঠাকুরাকোনা এতিম খানায় অসহায় শীতার্ত সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে দুই শতাধিক শীত বস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন। এ সময় জেলা প্রশাসককে সহায়তা করেন জেলা ত্রাণ ও পূণর্বাসন কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী, সহকারী কমিশনার মোঃ লোকমান হোসেন, সহকারী কমিশনার মোঃ রেজাউল ইসলাম।
এদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দেওয়ান মোঃ তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি টিম জেলা শহরের বনোয়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড, কুরপাড়, বলাই নগুয়া এলাকায় অসহায় হত-দরিদ্র প্রায় দুই শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন। তাকে সহযোগিতা করেন নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদা আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) বুলবুল আহম্মেদ তালুকদার।
অপরদিকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটি) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নেতৃতে জেলা প্রশাসনের একটি টিম জেলা শহরের আনন্দ বাজার, হোসেনপুরস্থ আন্তঃজেলা বাসস্ট্যান্ড, সাতপাই সওদাগর পাড়া এলাকায় অসহায় হত দরিদ্র প্রায় দুই শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করেন। তাকে সহযোগিতা করেন এনডিসি আব্দুল কাইয়ুম, সহকারী কমিশনার নারায়ন চন্দ্র বর্মন।
জেলা প্রশাসক মঈনইল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, শীতে যাতে অসহায় হত দরিদ্র মানুষ কষ্ট না পায় তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে নেত্রকোনা জেলার ১০ উপজেলার ৮৬টি ইউনিয়নে অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের জন্য ৪৯ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও ১০ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ৯ হাজার কম্বল এবং জেলা প্রশাসকের কাছে ১ হাজার কম্বল বিতরণের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। সেখান থেকে প্রথম দিন ৫ শত কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।