বারহাট্টায় বৃদ্ধা খুনের রহস্য উন্মোচন: গ্রেফতার ৩ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

বিশেষ প্রতিনিধি: নেত্রকোনার বারহাট্টায় প্রণতি রাণী চক্রবর্তী (৭২) খুনের রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বারহাট্টা উপজেলার বারঘর গ্রামে পহেলা নভেম্বর দিবাগত রাতে নিজ বসতঘরে ওই গ্রামের গোপাল চক্রবর্তীর স্ত্রী প্রণতি রাণী চক্রবর্তীর উপর হামলা করে দৃবৃর্ত্তরা। ঘটনার পর গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৭ নভেম্ভর তিনি মারা যান।
এঘটনায় ২ নভেম্বর নিহতের ছেলে মৃনাল কান্তি চক্রবর্তী বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে বারহাট্টা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং ২)। মামলার পর এঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ।


বুধবার পুলিশ সুপার মোঃ আকবর আলী মুনসীর নির্দেশনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার রাজথারীখেল গ্রামের মোস্তাফা কামালের ছেলে কাউসার আলম (২২) বারহাট্টা উপজেলার বারঘর গ্রামের পরিমল সরকারের ছেলে অন্তর সরকার (১৬) ও একই গ্রামের ফজর আলীর ছেলে দুলাল মিয়া (৪২) কে গাজিপুর ও ময়নসিংহ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করে।আসামীদের গ্রেফতারের পর তাদের দেয়া তথ্যমতে বারোঘর গ্রামের একটি পুকুর থেকে একটি ট্রাংক ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর এস এম আশরাফুল আলম পিপিএম-সেবা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নেত্রকোণা জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশ মোতাবেক মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর হিসেবে গ্রহণ করে তদন্ত, মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারের অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দিনরাত পরিশ্রম করে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সনাতন পদ্ধতির মাধ্যমে প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে গাজীপুর হইতে গ্রেফতার করে নেত্রকোণা আদালতে ঘটনায় জড়িত মর্মে কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করা হয়।
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম জানান, “গ্রেফতারের পর আসামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনা সত্যতা স্বীকার করেছে। তারা সংঘবন্ধ একটি অপরাধি চক্র। দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত।” বুধবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।