ডিবি ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার ৪

দেলোয়ার হোসেন,ময়মনসিংহঃ ময়মনসিংহ নগরের পাটগুদাম শম্ভুগঞ্জ ব্রিজের কাছ থেকে উদ্ধার হয় হাত-পা ও মুণ্ডুহীন মরদেহ। একইদিন ও পরদিন কুড়িগ্রাম সদর ও রাজারহাট থেকে উদ্ধার হয় দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হাত, একটি পা ও মাথা। এরপরই ঘটনাটি নিয়ে সৃষ্টি হয় ব্যাপক চাঞ্চল্যের।

তদন্তভার ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখায় ন্যান্ত করা হলে ডিবি ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা শুরু করে। লোমহর্ষক হত্যাকান্ডে দুই দিনে দুই জাযগায় উদ্ধার হওয়া সবগুলো মরদেহের খন্ড একই পলিথিন ও কালো সুতা দিয়ে প্যাঁচানো থাকায় পুলিশের ধারণা হয় অংশগুলো একই ব্যক্তির।

ময়মনসিংহে লাগেজে রাখা মরদেহের সাথে উদ্ধার হয় এক নারীর পোশাক। আবার কুড়িগ্রামে খন্ডিত অংশের সাথে পাওয়া যায় একটি লুঙ্গি, গেঞ্জি ও মহিলাদের ব্যবহৃত হাতব্যাগ।

হাতব্যাগের ভিতরে থাকা একটি চিরকুট পায় পুলিশ তখন ধারনা করে কোন নারী সংশ্লিষ্ট ঘটনায় প্রতিশোধমূলক এই নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে। চিরকুটের সূত্র ধরেই পুলিশ আগাতে থাকে নেত্রকোনার পূর্বধলায় খুঁজে পায় সাবিনা আক্তারের পরিবারকে। বের হতে থাকে চাঞ্জল্যকর সব ঘটনা।
গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় আসামিদের। তাদের দেয়া তথ্যে নেত্রকোনার পূর্বধলা থেকে উদ্ধার করা হয় হত্যার কাজে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র।
খুন হওয়া যুবকের নাম মো. বকুল (২৮)। সে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলার উপজেলার হুগলা এলাকার ময়েজ উদ্দিনের ছেলে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতারকৃতরা হল- ফারুক মিয়া (২৫), তার ভাই হৃদয় মিয়া (২০), বোন সাবিনা আক্তার (১৮) ফারুকের স্ত্রী মৌসুমি আক্তার (২২)।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।