কেন্দুয়ায় শত্রুতার শিকার ৪ শতাধিক হাঁস!

বিশেষ প্রতিনিধি: নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় একটি খামারের চারশতাধিক হাঁসের মৃত্যু হয়েছে। রোববার বেলা ১২টার দিকে ছবিলা গ্রামে আবুল কাশেম ও আবুল হাসেমের যৌথ খামারে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছবিলা গ্রামের আবুল কাশেম ও তাঁর ভাতিজা আবুল হাসেম যৌথভাবে তাঁদের খামারে ১ হাজার ৭০০ হাঁস পালন করছিলেন। প্রতিদিনের মতো রোববার সকালে হাঁসগুলোকে খাবার খেতে বাড়ির সামনে অন্যের খেতে ছেড়ে দেন। ওই খেতটিতে সম্প্রতি বোর ধান কাটা হয়ে গেছে। এখন বৃষ্টি পানি জমে রয়েছে। হাঁসগুলো কিছুক্ষণ খাবার খেয়ে এর মধ্য থেকে ৪১৫টি হাঁস খিঁচুনি দিয়ে মারা যায়। পরে আবুল কাশেম অন্য হাঁসগুলোকে ওই খেত থেকে সরিয়ে আরেকটি খেতে নিয়ে আসেন। হাঁসগুলো কেন বা কি কারণে মারা গেল তা রোববার সন্ধ্যা ছয়টা পযন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনার পর খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কেন্দুয়া সার্কেল) মাহমুদুল হাসান ও কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তারা সন্ধ্যার দিকে বলেন, ‘হাঁসের মালিক থানায় এখনো কোন অভিযোগ দেননি। কেন বা কি কারণে হাঁসগুলো মারা গেছে তা পরীক্ষা করে বলা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই খেতটিতে বিষয়জাতীয় কিছু প্রয়োগ করা হয়েছে। যা খেয়ে হাঁসগুলো মারা গেছে।’
আবুল কাশেম বলেন, ‘খুব কষ্ট করে দুই লাখ টাকার মতো অন্যের কাছ থেকে ঋণ এনে আমি আর আমার ভাতিজা আবুল হাসেম মিলে হাঁসের খামারটি করেছিলাম। হাঁসগুলোর মৃত্যুতে আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। কি করে যে ঋণ পরিশোধ করবো সে চিন্তায় এখন দিশেহারা। তিনি জানান, আমার সঙ্গে কারো শত্রুতা নেই। কিন্তু মনে হচ্ছে খেতে কেউ বিষ প্রয়োগ করে হাঁসগুলো মেরে ফেলেছে। মৃত হাঁস পরীক্ষা করানো হবে এবং এ নিয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়া হবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।